কাঁচা / পাকা আমের উপকারিতা |

আমকে বলা হয় ফলের রাজা। মিষ্টি স্বাদ ছাড়াও আমের উপকারিতা অগণিত। এটি শরীরে ভিটামিনের অভাব পূরণের পাশাপাশি কর্মশক্তি যোগায়। ফল হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি আম থেকে মজাদার চাটনি, আমসত্ত্ব, মোরব্বা ও জেলি তৈরি করা যায়।  

আমের বিভিন্ন জাত

পৃথিবীতে অসংখ্য জাতের আম রয়েছে। এর মধ্যে ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসা, অরুনা,ক্ষীরভোগ, মোহনভোগ, রাজভোগ, রানিভোগ, চিনি মিছরি, জগৎমোহিনী, রাঙ্গাগুড়ি, মিশ্রিকান্ত, বোম্বাই, পাহাড়িয়া, কাকাতুয়া, চম্পা, সূর্যপুরি, কাঁচামিঠা, আশ্বিনা, আম্রপালি, শ্যামলতা, বাগানপল্লি, দুধসর, কোহিতুর, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরী, কালীভোগ, আলফানসো, কারাবাউ, গোপাল খাস, কেন্ট,পাহুতান, ত্রিফলা, হাড়িভাঙ্গা, লখনা, কলাবতী ইত্যাদি বিখ্যাত। একেক জাত, একেক মন ভোলানো ঘ্রাণ, স্বাদের ভিন্নতা এবং বৈশিষ্ট্যের জন্য আমাদের কাছে প্রিয়। মিষ্টতা ও স্বাদে হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাতি অনন্য।  

পুষ্টি উপাদান

আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, বি৬, কে, ফলিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ফাইবার রয়েছে। এছাড়াও আম ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কপার, বিটা ক্যারোটিন ইত্যাদি খনিজে ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম আমে ৭০ কিলোক্যালরি কার্বোহাইড্রেট, ০.৫ গ্রাম চর্বি, ১.৮০ গ্রাম ফোলেট, ০.১২৪ মিলিগ্রাম রাইবোফ্লোভিন, ০.০৫৭ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ১০ মিলিগ্রাম কপার, এবং ৯ মিলিগ্রাম ম্যাঙ্গানিজ বিদ্যমান।  

কাঁচা আমের উপকারিতা

গ্রীষ্মকালীন ফল আম। গরমে দাবদাহে এক ফালি কাঁচা আম মনে নিয়ে আসে প্রশান্তি। কাঁচা আমের জুস এবং আচার খুবই মুখরোচক। এমনকি ডালের সঙ্গে রান্না করেও খাওয়া যায় কাঁচা আম। কেউ আবার কাঁচা আমের ভর্তা খুব পছন্দ করেন। আসুন জেনে নেই কাঁচা আমের উপকারিতা- ফ্যাট মেটাবলিজমে কাঁচা আম ওজন কমানোর জন্য খুব কার্যকর ভেষজ প্রতিষেধক। আমে প্রচুর পরিমাণ এনজাইম রয়েছে, যা শরীরের প্রোটিনের অণু গুলো ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে। ফলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। গর্ভাবস্থায় কাঁচা আমের উপকারিতা অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের সকালে উঠার পর বমি বমি ভাব হয়। কাঁচা আম গর্ভবতী মহিলাদের মর্নিং সিকনেসের সমস্যা দূর করে। গর্ভাবস্থায় মায়েরা কাঁচা আম খেলে গর্ভের সন্তানের অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা বেশি থাকে। ফলে জন্মানোর পর খুব কমই রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা। মেনোপোজ হওয়া নারীর আয়রনের ঘাটতি পূরণেও কাঁচা আম বেশ উপকারি। ঘামাচির সমস্যা দূর করতে গরমের সময় ঘামাচির সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে ভালো উপায় কাঁচা আম খাওয়া। কাঁচা আম সানস্ট্রোকও প্রতিরোধ করে। লিভারের সমস্যা প্রতিরোধে যকৃতের রোগ নিরাময়ে কাঁচা আম খুব উপকারি। কাঁচা আম শরীরে পটাসিয়ামের অভাব পূরণ করে লিভার ভালো রাখে। এটি বাইল এসিড নিঃসরণ বাড়ায় এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও প্রতিরোধ করে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে কাঁচা আম রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করে। এটি রক্তনালীসমূহের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কনিকা গঠনে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাঁচা আম খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আমে উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন রয়েছে, যা জীবাণু থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়। কাঁচা আম স্কার্ভি প্রতিরোধ করে ও মাড়ির রক্ত পড়া কমায়। কাঁচা আম কিডনির সমস্যা প্রতিরোধেও সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাসে কাঁচা আম রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেলের মাত্রা কমায় এবং ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এটি কোলন, প্রোস্টেট, ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়। যৌনশক্তি বাড়াতে কাঁচা আম যৌনশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীর ফিট রাখে। কাঁচা আম খাওয়ার ফলে পুরুষের শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নত হয় এবং সেক্স ক্রোমজোমের কর্মক্ষমতা বাড়ে। ত্বকের যত্নে কাঁচাআম কাঁচা আমক্লিনজার হিসেবে ত্বকের উপরিভাগে ব্যবহার করা হয়। এটি লোমকূপ পরিষ্কার করে এবং ব্রণ দূর করে। বার্ধক্যের ছাপ রোধে আমের রস বেশ কার্যকর। এটি চুল ও ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। অবসাদ দূর করতে গরমে স্বাভাবিকভাবে ঝিমুনি ভাব দেখা দেয়। দুপুরের খাওয়ার পরে কয়েক টুকরা কাঁচা আম খেলে এ ক্লান্তিভাব দূর হবে। নিশ্বাসের দুর্গন্ধ প্রতিরোধেও কাঁচা আম অনেক কার্যকর। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে কাঁচা আম রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে। শরীর গঠনে কাঁচা আমের উপকারিতা প্রতিদিন আম খেলে দেহের ক্ষয় রোধ হয় ও স্থূলতা কমে যায়। এটি শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়াতেও অনেক সহায়ক। শরীরে লবণের ঘাটতি দূর করে গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ বের হয়ে যায়। কাঁচা আমের জুস শরীরের এই ঘাটতি দূর করবে।

পাকা আমের স্বাস্থ্যগুণ

উচ্চরক্তচাপের রোগীদের জন্য পাকা আম খুব উপকারি। চলুন, দেখে নিই পাকা আম কিভাবে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা দেয়- ক্যানসার প্রতিরোধ করে পাকা আমে বিদ্যমান উচ্চমাত্রায় পেকটিন আঁশ কিডনির ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। পাকা আম আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কারেও সহায়তা করে। ওজন বাড়াতে সাহায্য করে ওজন বাড়াতে পাকা আম বেশ উপকারি। পাকা আমে থাকা বায়োটিক উপাদান যেমন স্টার্চ, এলডিহাইড ইত্যাদি ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত পাকা আমের জুস, মিল্কশেক, খেলে ওজন বাড়ে। ত্বকের যত্নে পাকা আম পাকা আম কোলাজেন প্রোটিন তৈরি করতে সহায়তা করে। মুখের ও নাকের উপর তৈরি হওয়া ব্ল্যাকহেড দূর করতেও পাকা আম দারুণ কার্যকর। নিয়মিত ১০০ গ্রাম পাকা আম খাওয়ার ফলে আপনার মুখের এ কালো দাগ দূর হয়ে যাবে ইনশা’আল্লাহ। পাকা আম ত্বকে মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে লোমকূপে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয়। এটি ত্বক উজ্জ্বল, সুন্দর ও মসৃণ করে। অ্যাজমা প্রতিরোধে উচ্চ মাত্রায় বিটা ক্যারোটিন থাকার ফলে পাকা আম অ্যাজমা প্রতিরোধে সহায়ক। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পাকা আমে বিদ্যমান গ্লুটামিক অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উজ্জীবিত করে মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়। তাই পরীক্ষার সময় ও মস্তিষ্কের চাপ যখন বেশি থাকে, তখন আম খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। রসালো ফল আম দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও তেমন মিষ্টি। তাই এর প্রতি বরাবরই মানুষের আকর্ষণ বেশি। পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। আমের আঁটির উপকারিতা সাধারণত আমরা আম খেয়ে আঁটিকে অকেজো মনে করে ফেলে দেই। কিন্তু এই আঁটির উপকারিতা জানলে আপনাকে অবাক হতে হবে। আসুন জেনে নেই আমের আঁটির যত গুণ- চুলের যত্নে খুশকির সমস্যা সমাধানে আমের আঁটি খুব উপকারি। আমের আঁটি শুকিয়ে গুঁড়ো করে পানিতে মিশিয়ে তা স্ক্যাল্পে লাগান। এটি মাথার ত্বককে শুষ্ক রাখতে সাহায্য করবে। ফলে চুল ওঠার সমস্যাও দূর হয়ে যাবে। ওজন কমাতে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে কাঁচা আমের আঁটি খেতে পারেন। ফ্যাট বার্ন প্রতিরোধে আমের আঁটি অত্যন্ত কার্যকর। ডায়রিয়ার প্রতিকারে ক্রনিক ডায়রিয়া সারাতে আমের আঁটি দারুণ উপকারি। আমের আঁটি শুকিয়ে নেয়ার পর গুঁড়া করে নিন। ১ বা দুই গ্রাম এই গুঁড়া পানি বা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। নিয়মিত সেবনে দ্রুত ফল পাবেন ইনশা’আল্লাহ। এছাড়া কাঁচা আমের আঁটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে। ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণেও কাঁচা আমের আঁটি খেতে পারেন।  

আম পাতার ঔষধি গুণ

আম পাতায় মেঞ্জিফিরিন নামক সক্রিয় উপাদান থাকে যা অপরিমেয় স্বাস্থ্য উপকারিতায় ভরপুর। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কচি আম পাতা রান্না করে খাওয়া হয়। আম পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নিই- উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আম পাতা হাইপারটেনশনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালীকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১ কাপ আম পাতার চা পান করলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা লাঘব হবে। আম গাছের পাতা পরিষ্কার করে সারারাত পানিতে রাখুন। পরের দিন ঐ পানি ছেঁকে পান করুন। এতে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শ্বসনতন্ত্রের সমস্যা নিরাময়ে নিয়মিত আম পাতার ফুটানো পানি পান করলে ঠান্ডা, ব্রংকাইটিস ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা দূর হয়। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (৪১-৬০) কম। আম পাতায় ট্যানিন এবং অ্যান্থোসায়ানিন থাকে যা ডায়াবেটিস নিরাময়ে সাহায্য করে। ৫-৬টি আম পাতা ধুয়ে একটি পাত্রে সেদ্ধ করে ঐ পান করলে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কান ব্যথা উপশমে কানের ব্যথা নিরাময়ে আম পাতার রস খুব ভালো প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। আম পাতায় হালকা তাপ দিয়ে কানের ছিদ্রের উপর লাগান। এতে ব্যথা কমে যাবে। কিডনির পাথর দূর করে আম পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন এবং পানির সাথে মিশিয়ে সকালে পান করুন। এর ফলে কিডনি পাথর খুব সহজেই শরীর থেকে বের হয়ে যাবে। গলা ব্যথা দূর করে গলার ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে আম পাতা। কিছু আম পাতা পোড়ান এবং এর থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া শ্বাসের সাথে গ্রহণ করুন। এতে আপনার গলা ব্যথার সমস্যা কমবে। গেঁটে বাত নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর আম পাতা। কিছু কচি আম পাতা পানিতে দিয়ে পাতার বর্ণ হলুদ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত ফুটিয়ে নিন। নিয়মিত সেবনে ভালো ফল পাবেন। কিছু আম পাতা পানি মিশিয়ে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন। আঁচিলের উপরে এটি প্রতিদিন লাগালে আঁচিল দূর হবে। আঘাত প্রাপ্ত স্থানে রক্ত পড়া বন্ধ করার জন্যও এই পেস্ট ব্যবহার করা যায়। আম পাতার ছাই দাঁত ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।  

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় আমের ব্যবহার

কচি আম পাতা ও জাম পাতার রস (২/৩ চা চামচ) একটু গরম করে খেলে আমাশয় সেরে যায়। আমের শুকনো মুকুল বেটে খেলে পাতলা পায়খানা, পুরনো এবং প্রস্রাবের জ্বালা-যন্ত্রণা উপশম হয়। কচি আমপাতা চিবিয়ে তা দিয়ে দাঁত মাজলে অকালে দাঁত পড়ার আশঙ্কা থাকে না। আমের কুশি থেঁতো করে পানিতে ভিজিয়ে ছেঁকে এই পানি শুষ্কচুলের গোড়ায় লাগালে চুল পরাকমে। তবে ঐ সময় মাথায় তেল ব্যবহার না করাই ভালো। জ্বর, বুকের ব্যথা, বহুমূত্র রোগের জন্য আমের পাতার চূর্ণ ব্যবহৃত হয়।  

আম খাওয়ার ক্ষতিকর দিক

অতিরিক্ত পরিমাণে কাঁচা আম খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে৷ কাঁচা আমের কষ মুখে লাগলে অথবা পেটে গেলে মুখ, গলা ও পেটে সংক্রমণ হতে পারে। আম অনেকের দেহে অ্যালার্জি সৃষ্টি করে। কাঁচা আম পাকাতে অনেক সময় ক্যালসিয়াম কার্বাইড নামক রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা আমের খোসায় রয়ে যায়। অনেক সময় এটিও অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। উচ্চ মাত্রায় চিনি থাকায়, পাকা আম রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এজন্য ডায়াবেটিস রোগীদের অতিরিক্ত পরিমাণে পাকা আম খাওয়া পরিহার করা উচিৎ। রসনার পরিতৃপ্তি, শরীরের পুষ্টি যোগান, এবং জাতীয় অর্থনীতিতে আমের অবদান অনস্বীকার্য। আম উৎপাদনকারী এলাকায় মৌমাছির আনাগোনা বেড়ে যায়। এ সময় বেশি মধু আহরণের দারুণ সুযোগ সৃষ্টি হয়। আমের উপকারিতার কারণে, গ্রীষ্ম প্রধান দেশে ফলের মধ্যে আম সবার সেরা। Source: https://www.bbcgoodfood.com/howto/guide/health-benefits-mango https://www.medicalnewstoday.com/articles/275921 https://pharmeasy.in/blog/health-benefits-of-mangoes/amp/

Notice: Function Elementor\Controls_Manager::add_control_to_stack was called incorrectly. Cannot redeclare control with same name "_skin". Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 1.0.0.) in /home/mxumgquj/sustho.com/wp-includes/functions.php on line 5831
আপনার পছন্দের লেখাগুলো নিয়মিত পেতে ইমেইল দিয়ে এখনি সাবস্ক্রাইব করুন।
সর্বশেষ পোস্টগুলো
আমার ওজন কমানোর গল্প

আমার ৩৪ কেজি ওজন কামানোর কথা

home remedies for insomnia

অনিদ্রা দূর করার উপায় । ১০ টি ঘরোয়া ঔষধ

আঁচিলের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

আঁচিলের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

আমার ওজন কমানোর খাবার তালিকা

আমার ওজন কমানোর খাবার তালিকা বা ডায়েট চার্ট

অতিরিক্ত ওজন কমানোর ঔষধ

ওজন কমানোর প্রাকৃতিক ঔষধ

ওজন বাড়ানোর খাবার তালিকা

কফ কাশির প্রাকৃতিক ঔষধ

কফ বা কাশির প্রাকৃতিক চিকিৎসা

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায়

কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তির উপায়

গরম পানি খাওয়ার উপকারিতা

গরম পানি খাওয়ার ১০ টি উপকারিতা

খুশকি দূর করার উপায়

ঘরে বসে খুশকি দূর করার সহজ ১০টি উপায় । খুশকি দূর করার প্রাকৃতিক শ্যাম্পু

চুল পরা বন্ধের উপায়

চুল পড়া বন্ধের প্রাকৃতিক ঔষধ 

দ্রুত ওজন বাড়ানোর উপায়

দ্রুত ওজন বারানোর উপায়

বমি দূর করার উপায়

বমি দূর করার উপায় | বমি হলে করনীয়

ব্যায়াম ছাড়া ওজন কমানোর উপায়

ব্যায়াম ছাড়া ওজন কমানোর ৯ টি সহজ উপায়

দ্রুত ওজন কমানোর খাবার তালিকা

মাসে ১০ কেজি ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট




Categories
ভাল লাগলে ৫ স্টার রেটিং দিন!

Recommended Posts

No comment yet, add your voice below!


Add a Comment

Your email address will not be published.