ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও চিকিৎসা | ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায় সমূহ

শীতে লার্ভা অবস্থায় এডিস মশা অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে। বর্ষার শুরুতে সেগুলো থেকে নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাসবাহিত মশা বিস্তার লাভ করে।

চলুন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণগুলো জেনে নিই-

ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গুর সংক্রমণের ফলে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সে সঙ্গে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা (বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা) হয়। জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়। অনেক সময় ব্যথা এত তীব্র হয় মনে হয় যেন হাঁড় ভেঙে যাচ্ছে। তাই এ জ্বরের আরেক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’।

জ্বর হওয়ার চার বা পাঁচদিনের মধ্যে সারা শরীরজুড়ে অনেকটা অ্যালার্জি বা ঘামাচির মতো দেখতে স্কিন র‍্যাশ হয়। র‍্যাশের ফলে রক্তচাপ কমে যেতে পারে। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব দেখা দেয়। জ্বরের ফলে রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং খাওয়ার রুচি কমে যায়।

অনেকসময় শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়; যেমন : চামড়ার নিচে, নাক ও মুখ দিয়ে, মাড়ি ও দাঁত থেকে, কফের সাথে, রক্ত বমি, পায়খানার সঙ্গে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা, চোখের মধ্যে এবং চোখের বাইরে রক্ত পড়তে পারে। মেয়েদের বেলায় অসময়ে ঋতুস্রাব বা রক্তক্ষরণ শুরু হলে এটি অনেক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াভহ রূপ হলো ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের সঙ্গে সার্কুলেটরি ফেইলিউর হয়ে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হয়।

এর ফলে-

নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হয়ে পড়ে।
শরীরের হাত-পা ও অন্যান্য অংশ ঠান্ডা হয়ে যায়।
প্রস্রাব কমে যায়।
হঠাৎ করে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে।

 

ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষাঃ 

ডেঙ্গু জ্বরের রোগনিরূপণ মাইক্রোবায়োলজিক্যাল টেস্টিং-এর মাধ্যমে সম্ভব। জ্বর হওয়ার শুরুর দিকে রক্তের সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) ও ডেঙ্গু এনএসওয়ান পরীক্ষা দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি শ্বেতরক্তকণিকা, হিমাটোক্রিট, অণুচক্রিকা, রক্তের অ্যালবুমিন, যকৃতের এনজাইম এসজিপিটি, এলকালাইন ফসফাটেজ
ইত্যাদি টেস্ট করানোরও প্রয়োজন পড়ে ।

রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু হওয়া সত্ত্বেও এই পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে৷

 

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসাঃ

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সাধারণত পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। তবে এসময় রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী চলতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বরের ফলে প্লাজমা লিকেজ বা রক্তের তরল অংশ কমে যায়। এতে রোগীর ব্লাড প্রেশার কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য রোগীকে নির্দিষ্ট বিরতিতে প্রচুর পরিমাণে ডাবের পানি, ওরস্যালাইন, লেবুর শরবত খাওয়ান। ডাবের পানিতে খনিজ বা ইলেট্রোলাইটস আছে, যা ডেঙ্গু জ্বরে খুবই দরকারি।

বাড়িতে থাকাকালীন-

  • পর্যাপ্ত বিশ্রামে (জ্বর চলাকালীন এবং জ্বরের পর এক সপ্তাহ) থাকতে হবে
  • গ্লুকোজ, ভাতের মাড়, বার্লি, বাসায় তৈরি ফলের রস, স্যুপ ইত্যাদি খাওয়ান।

প্যারাসিটামল ট্যাবলেট-

  • পূর্ণবয়স্কদের জন্য ২টি করে প্রতি ৬/৮ ঘণ্টা পর পর।

সতর্কতা-

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ এতে আকস্মিক রক্তক্ষরণের আশঙ্কা রয়েছে।

চিকিৎসা চলাকালীন রোগীকে দিনরাত সব সময় মশারির ভেতরে থাকতে হবে।

এছাড়া-

১. খুব জ্বর এলে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিতে পারেন। পানির তাপমাত্রা আপনার শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে দুই ডিগ্রি কম হবে। বাথটাবে বা ঝরনার ধারায় গোসল করা ভালো। তবে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি ভিজবেন না। গোসল সেরে দ্রুত শুকনো তোয়ালে দিয়ে পানি মুছে নিন।

২. গোসল করা সম্ভব না হলে শরীরের ত্বক স্পঞ্জ করতে পারেন। পরিষ্কার সুতির পাতলা কাপড় গামলার পানিতে ভিজিয়ে চিপে নিন। পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে (গরম বা বরফ-ঠান্ডা নয়)। এবার এই ভিজে কাপড় দিয়ে সারা শরীর মুছে নিন। ভেজা কাপড় দিয়ে মোছার পর শুকনো কাপড়ের সাহায্যে পানি মুছে নিন।

ডেঙ্গু জ্বরের প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিলে ঘরোয়াভাবে যেসব খাবার খাবেন-

১. জ্বরের মধ্যে হারবাল ও গ্রিন চা বেশ উপকারি। চায়ের মধ্যে এক টুকরো আদা, এলাচি, লবঙ্গ বা খানিকটা মধু মিশিয়ে এই হারবাল চা তৈরি করা যেতে পারে। এক কাপ পানিতে দুই চামচ আপেল সিডার ভিনেগার ও এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দু-তিনবার পান করুন। এটি শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে অত্যন্ত সহায়ক।

২. জ্বর হলে শরীরের বিপাকক্রিয়া বাড়ে। এতে বাড়তি ক্যালরির প্রয়োজন পড়ে। তাই এসময় সহজপাচ্য খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। ফলের রস বা ফল খেতে চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ভিটামিন সি-যুক্ত ফল, যেমন: কমলা, মালটা, লেবু, জাম্বুরা, আনারস ইত্যাদি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে।

৩. নানা ধরনের ভেষজ খাবারের উপকারিতা আছে; যেমন পেঁপে পাতা অণুচক্রিকা বাড়াতে সাহায্য করে বলে ডেঙ্গু নিরাময়ে দারুণ উপকারি। এছাড়া পেঁপে পাতায় থাকে প্রচুর পরিমাণে কমপ্লেক্স ভিটামিন রয়েছে যা জীবাণু বহনকারী মশার লার্ভা ধংস করে। পেঁপে পাতার রস সেবনে প্লাটিলেটের সংখ্যা প্রথম দিনেই বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং ৫ দিনেই প্লাটিলেটের সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

ডেঙ্গু নিরাময়ের জন্য পেঁপে পাতার রস কীভাবে তৈরি করবেন-

পেঁপে পাতার রস বানানোর জন্য কচি পেঁপে পাতা ধুয়ে শিরা থেকে তা ছাড়িয়ে নিতে হবে ।
তারপর তা পিষে রস বের করতে হবে।
২৫ মিলিলিটার বা ৫ চা চামুচ পাতার রস এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন দুই বেলা ( সকালে ও সন্ধ্যায়) দুই চামচ করে সেবন করতে হবে।

৪. নিম পাতা ভেজানো পানি পান করুন। এর ফলে প্লেটলেট এবং সাদা রক্ত কণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এটি ইমিউনিটি সিস্টেমকেও অধিক কার্যক্ষম করে তোলে।

৫. এসময় ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচুর পরিমাণে গাজর, টমেটো, শসা ইত্যাদি সবজি খেতে দিন। কেননা এতে জলীয় অংশ বেশি থাকে। ব্রকোলি ভিটামিন ‘কে’ এর অন্যতম উৎস, যা ডেঙ্গুতে রক্তপাতের ঝুঁকি কমায়।

৬. ডেঙ্গু রোগীকে প্রতিদিন নানা ধরনের স্যুপ; যেমন সবজির স্যুপ, টমেটোর স্যুপ, চিকেন স্যুপ বা কর্ন স্যুপ দিন। এতে পানির চাহিদা পূরণ হবে, পাশাপাশি পুষ্টিও নিশ্চিত হবে। এ ছাড়া নরম সেদ্ধ করা খাবার, জাউ, পরিজ ইত্যাদি খাওয়ান।

৭. ডেঙ্গুর সংক্রমণের ফলে যকৃতে এসজিপিটি (SGPT: Serum glutamic pyruvic transaminase) বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত মসলা ও চর্বি তেলযুক্ত খাবার খাওয়া পরিহার করুন। তবে খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় আমিষ থাকতে হবে।

যাদের জন্য ডেঙ্গু জটিল হতে পারে

শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু রোগ জটিল হয়ে উঠতে পারে। আগে যারা আক্রান্ত হয়েছে, তারা দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে জটিলতা বেশি হয়। এ রকম রোগীরা সহজে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে আক্রান্ত হতে পারে। তাই শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য দরকার বিশেষ সতর্কতা। তবে মনে রাখবেন, মাতৃদুগ্ধ পানের মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়ায় না।

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে করণীয় কি কিঃ

বাড়ির আশপাশের ঝোঁপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।

এডিস মশা মূলত জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র, প্লাস্টিকের ড্রাম, মাটির পাত্র, টিনের কৌটা, ডাবের পরিত্যক্ত খোসা, কন্টেইনার, মটকা, ব্যাটারির শেল, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট ইত্যাদি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন।

খেয়াল রাখুন, যাতে অ্যাকুয়ারিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ারকন্ডিশনারের নিচেও পানি জমে না থাকে।

এডিস মশা সাধারণত সকালে ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তাই এসময় শরীরে ভালোভাবে কাপড় ঢেকে বের হোন। প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করুন। ঘরের দরজা-জানালায় নেট ব্যবহার করুন।

দিনের বেলায় মশারি টাঙ্গিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

বিভিন্ন রাস্তার আইল্যান্ডে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ফুলের টব, গাছপালা, জলাধার ইত্যাদি দেখা যায়। এখানে বৃষ্টির পানি জমে থাকতে পারে। এসব জায়গায় মশার বংশবিস্তারের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

সম্ভব হলে শরীরে মশা নিরোধক ক্রিম ব্যবহার করুন।

জানালার পাশে তুলসীগাছ লাগান। এ গাছের ভেষজ উপাদান মশা তাড়ানোর জন্য খুবই উপযোগী।

মশা তাড়াতে কর্পূরও দারুণ কার্যকর। দরজা-জানালা বন্ধ করে কর্পূর জ্বালিয়ে রুমের ভেতর রাখুন। ২০ মিনিট পর দেখবেন মশা একেবারেই চলে গেছে।

শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসাঃ

শিশুদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর সংক্রমণের ফলে চোখ লাল হয়ে যাওয়া, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। ডেঙ্গুর কারণে শিশুর শক সিনড্রোম হলে পেট ফুলে যেতে পারে বা শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে, যেমন রক্তবমি, পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া ইত্যাদি।

শিশুর মধ্যে ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকরা সাধারণত কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি), এনএস ওয়ান অ্যান্টিজেন, এফজিপিটি এবং এফজিওটি ইত্যাদি টেস্ট করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

পরিস্থিতি গুরুতর হলে রক্ত পরীক্ষার পাশাপাশি বুকের এক্স রে, পেটের আলট্রাসনোগ্রাফি, ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা পরিমাপ করা হয়। এছাড়া প্রস্রাব না হলে ক্রিয়াটিনিনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। এ সময় শিশুদের হাত-পা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কিংবা অজ্ঞান হয়ে শরীর নিস্তেজ হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থাতে চিকিৎসক বা হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে থাকা খুব জরুরি।

যদি শরীরে প্লাজমা লিকেজের কারণে ফ্লুয়িড জমতে থাকে, তাহলে স্যালাইনের মাধ্যমে শরীরে অ্যালবোমিন প্রয়োগ করা হয়। রোগী শক সিনড্রোমে চলে গেলে এই চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে।

শিশুর রক্তে প্লেটলেট যদি ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ এর নীচে চলে আসে বা রক্তরক্ষণ হয়, তাহলে শিশুকে আইসিইউ-তে রেখে প্লেটলেট দেয়ার প্রয়োজন হয়।

ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে শিশুদের ফুল হাতা ও ফুল প্যান্ট পরিয়ে রাখুন। যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে, তাহলে বাড়িতে রেখেও নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে শিশুকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

সুস্থ আগামীর জন্যই আমাদের শিশুদের সুস্থতা জরুরি।

Source:

https://www.cdc.gov/dengue/symptoms/index.html
https://www.medicalnewstoday.com/articles/179471
https://www.mayoclinic.org/diseases-conditions/dengue-fever/diagnosis-treatment/drc-20353084
https://www.medicinenet.com/dengue_fever/article.htm
https://emedicine.medscape.com/article/215840-treatment


Notice: Function Elementor\Controls_Manager::add_control_to_stack was called incorrectly. Cannot redeclare control with same name "_skin". Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 1.0.0.) in /home/mxumgquj/sustho.com/wp-includes/functions.php on line 5831
আপনার পছন্দের লেখাগুলো নিয়মিত পেতে ইমেইল দিয়ে এখনি সাবস্ক্রাইব করুন।
সর্বশেষ পোস্টগুলো
আমার ওজন কমানোর গল্প

আমার ৩৪ কেজি ওজন কামানোর কথা

home remedies for insomnia

অনিদ্রা দূর করার উপায় । ১০ টি ঘরোয়া ঔষধ

আঁচিলের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

আঁচিলের প্রাকৃতিক চিকিৎসা

আমার ওজন কমানোর খাবার তালিকা

আমার ওজন কমানোর খাবার তালিকা বা ডায়েট চার্ট

অতিরিক্ত ওজন কমানোর ঔষধ

ওজন কমানোর প্রাকৃতিক ঔষধ

ওজন বাড়ানোর খাবার তালিকা

কফ কাশির প্রাকৃতিক ঔষধ

কফ বা কাশির প্রাকৃতিক চিকিৎসা

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায়

কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তির উপায়

গরম পানি খাওয়ার উপকারিতা

গরম পানি খাওয়ার ১০ টি উপকারিতা

খুশকি দূর করার উপায়

ঘরে বসে খুশকি দূর করার সহজ ১০টি উপায় । খুশকি দূর করার প্রাকৃতিক শ্যাম্পু

চুল পরা বন্ধের উপায়

চুল পড়া বন্ধের প্রাকৃতিক ঔষধ 

দ্রুত ওজন বাড়ানোর উপায়

দ্রুত ওজন বারানোর উপায়

বমি দূর করার উপায়

বমি দূর করার উপায় | বমি হলে করনীয়

ব্যায়াম ছাড়া ওজন কমানোর উপায়

ব্যায়াম ছাড়া ওজন কমানোর ৯ টি সহজ উপায়

দ্রুত ওজন কমানোর খাবার তালিকা

মাসে ১০ কেজি ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট




Categories
ভাল লাগলে ৫ স্টার রেটিং দিন!

Recommended Posts

No comment yet, add your voice below!


Add a Comment

Your email address will not be published.